• মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৫ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
ব্রেকিং নিউজঃ
দিনাজপুর বীরগঞ্জে থানা আকস্মিক পরিদর্শন করলেন_পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা, দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে ৩ নং কুশমাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নাজিরুল হক লিমনের জনপ্রিয়তা। দিনাজপুর বীরগঞ্জে নবনির্মিত মৈত্রী সেতুর উদ্বোধন খুলে গেল যোগাযোগের নতুন দুয়ার. দিনাজপুর বীরগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতের সফল অভিযান, ২ দফায় ২৩৪০ বস্তা সার জব্দ, ২ জনের কারাদন্ড। দিনাজপুর বীরগঞ্জে মডেল মসজিদ ও বেইলী ব্রীজের উদ্বোধন। মাসুম বিল্লাহ এর লেখা কবিতা ” শেষ পাতার চিঠি” গোল্ডেন এ+ পেয়ে গর্বিত অনয় পাল, ক্যামেরা ম্যান ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সংবর্ধনা ময়মনসিংহে ডিবির অভিযানে বিদেশি মদসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।  গেটউইক এয়ারপোর্টে মুহাম্মদ ফজলুর রহমানকে উষ্ণ সংবর্ধনা: প্রবাসে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে আনন্দের জোয়ার জগন্নাথপুরে ২৩ বছর নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনকারী মোয়াজ্জেমকে বর্ণিল বিদায়ী সংবর্ধনা

সামান্য বাতাসেই উধাও বিদ্যুৎ: জগন্নাথপুরে জনজীবন বিপর্যস্ত, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

মোহাম্মদ সুজন মিয়া,জগনাথপুর, সুনামগঞ্জ / ৪৯৮ Time View
Update : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬

সামান্য বাতাসেই উধাও বিদ্যুৎ: জগন্নাথপুরে জনজীবন বিপর্যস্ত, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

 

মোহাম্মদ সুজন মিয়া,জগনাথপুর, সুনামগঞ্জ

সামান্য বাতাস কিংবা ছিটেফোঁটা বৃষ্টি—এটুকু হলেই যেন জগন্নাথপুরে বিদ্যুৎহীনতা এক অলিখিত নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে উপজেলায় চরম লোডশেডিং এবং লো ভোল্টেজের কারণে জনজীবন একেবারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর একবার বিদ্যুৎ গেলে সারারাত আর দেখা মেলে না, যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

তীব্র গরমে বিদ্যুতের এই আসা-যাওয়ার খেলায় সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছেন বৃদ্ধ ও শিশুরা। রাতের বেলা দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় তাদের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটছে, যার ফলে ঘরে ঘরে বাড়ছে অসুস্থতা। অন্যদিকে, স্কুল ও মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় নেমে এসেছে স্থবিরতা। সামনে পরীক্ষা থাকলেও মোমবাতি বা কুপির আলোয় পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া তাদের জন্য দুরূহ হয়ে পড়েছে।

অভিভাবকদের অভিযোগ, “কারেন্ট শুধু নিতেই জানে, দিতে জানে না। সন্ধ্যার পর পড়াশোনার সময় কারেন্ট গেলে আর আসে না, আসলেও ৫-১০ মিনিটের মেহমান হয়ে আসে।”

বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রভাব পড়েছে উপজেলার ছোট-বড় কলকারখানাগুলোতেও। নিয়মিত উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় লোকসানের মুখে পড়ছেন ব্যবসায়ীরা। এছাড়া সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের জরুরি কম্পিউটারাইজড কাজ ও ইন্টারনেট ভিত্তিক সেবাগুলো বন্ধ রাখতে হচ্ছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা।

ভোগান্তির চালচিত্র স্থানীয়দের ভাষ্যমতে: সামান্য মেঘ বা বাতাস দেখলেই বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। একবার লাইন মেরামত বা বন্ধ করার পর তা পুনরায় চালু করতে দীর্ঘ সময় নেওয়া হয়। অনেক সময় বিদ্যুৎ আসলেও তা মাত্র কয়েক মিনিট স্থায়ী হয়, যা বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জগন্নাথপুরবাসীর দাবি, বর্তমান ডিজিটাল যুগে বিদ্যুৎ সেবার এমন বেহাল দশা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। জরাজীর্ণ বিদ্যুৎ লাইন সংস্কার এবং ফিডারগুলোর সক্ষমতা বাড়িয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন তারা।

কর্তৃপক্ষের কাছে জগন্নাথপুরবাসীর একটাই প্রশ্ন—”এই অসহনীয় ভোগান্তি থেকে মুক্তি মিলবে কবে?” দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে আগামীতে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd