রানিগঞ্জ–হলিকোনা সড়কে কার্পেটিং কাজ শুরু, স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি
মোহাম্মদ সুজন মিয়া,জগন্নাথপুর, সুনামগঞ্জ
/ ২৬৩
Time View
Update :
সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬
Share
রানিগঞ্জ–হলিকোনা সড়কে কার্পেটিং কাজ শুরু, স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি
মোহাম্মদ সুজন মিয়া, স্টাফ রিপোর্টার, জগন্নাথপুর
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার ভাটি অঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা রানিগঞ্জ–হলিকোনা সড়কে শুরু হয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত কার্পেটিংয়ের কাজ। দীর্ঘদিন ধরে সড়কের কয়েক কিলোমিটার অংশ ছিল অত্যন্ত নাজুক অবস্থায়—বর্ষায় কাদা-পানি আর গ্রীষ্মে ধুলা–গর্তে দুর্ভোগ পোহাতে হতো যাত্রী ও সাধারণ মানুষকে
স্থানীয়রা সূত্রে জানা যায়, প্রাচিণ ঐতিহ্যবাহী রানীগঞ্জ বাজারে আসার জন্য একমাত্র রাস্তায় দীর্ঘ দিন ধরে অবহেলিত ছিল। এই রাস্তায় কাজ হওয়াতে অত্র অঞ্চলের যাতায়াতের সুবিধা হবে। বিশেষ করে বর্ষার সময় বেশি সমস্যা হত, যদি টিক টাক মত কাজ হয়, চলাচলের সুবিধা হবে। এ রাস্তা গুলো সিসি ডালাইয়ের চেয়ে আরসিসি ডালাই হওয়া জরুরী। রানিগঞ্জ থেকে মারকুলি পর্যন্ত সড়কটি প্রশস্ত করে উন্নয়ন করা হলে কয়েক লক্ষ মানুষের যাতায়াত সহজ হবে এবং এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, আজ সকাল থেকেই কাজ শুরু হয়েছে। কাজের স্বার্থে সাময়িকভাবে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হলেও অনেক পথচারী ও স্থানীয় যানবাহন চালক এখনও নির্দেশনা মানছেন না। সংশ্লিষ্টরা কয়েকদিন ধৈর্য ধরে যান চলাচল সীমিত রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন, যাতে কাজটি মানসম্মতভাবে সম্পন্ন করা যায়
স্থানীয় টমটম সমিতির দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা জানান, কাজটি দ্রুত ও সঠিকভাবে শেষ করতে সবার সহযোগিতা জরুরি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই সড়কটি শুধু একটি এলাকার জন্য নয়—এটি হলিকোনা, নাছনি, হাতিয়া, আকিল শাহ বাজার হয়ে দিরাই উপজেলায় পৌঁছায় এবং মারকুলি পর্যন্ত সংযোগ তৈরি করে। তাই এটি বৃহত্তর এলাকার অর্থনীতি ও যোগাযোগব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
এ রোডে চলাচলকারী জনসাধারনের দাবি, মারকুলি–রানিগঞ্জ রুটে বাস সার্ভিস চালু করার, ছোট ছোট গাড়ী চলাচল করে অনেক সময় যাত্রীরা গাড়ী পান না, তারা বিকল্প গাড়ী দিয়ে যাতায়াত করতে হয়, নিয়মিত গাড়ী চলাচল করলে হয়তো ভাটি অঞ্চল থেকে সবজি সহ মামলার পরিবহন করা সহজ হত। এ বিষয়টি কতৃপক্ষের নজরে আনার আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী
এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী সোহরাব হোসেন বলেন, ১ কিলোমিটার কাজ রেডি হয়েছে। এটা শেষ হলে বাকী কাজ গুলো রেডি করবে। এটা রানীগঞ্জ বাজারের গোদামের রাস্তা থেকে শুরু হয়ে হলিকোনা বাজারের ৭ কিলোমিটার এর মধ্যে ৪ কিলোমিটার আরসিসি আসলে পুরো রাস্তাটা আরসিসি হওয়ার দরকার, এ কাজ গুলো হউক আগামীতে আমরা প্রস্তাব করবো ১২ ফুট বড় করে আরসিসি করার এই রাস্তাটি কার্পেটিংয়ের উপযোগী নায়।